শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৩৮ সালে ‘বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট (BAI)’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়। তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ দক্ষ কৃষিবিদ এবং কৃষিবিজ্ঞানী তৈরির লক্ষ্যে শেকৃবি তার যুগোপযোগী শিক্ষা পাঠক্রম পরিচালনা করে আসছে।
শেকৃবিতে স্নাতক (অনার্স), স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) এবং পিএইচডি (Ph.D) পর্যায়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম মূলত চারটি অনুষদের অধীনে পরিচালিত হয়।
কৃষি অনুষদ, এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদ, অ্যানিমেল সায়েন্স ও ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ এবং ফিশারিজ, অ্যাকোয়াকালচার ও মেরিন সায়েন্স অনুষদ।
স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণামূলক থিসিস বাধ্যতামূলক। কৃষির নতুন জাত উদ্ভাবন, জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল ফসল তৈরি এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসার নিয়ে এখানে প্রতিনিয়ত গবেষণা হয়।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) এবং পিএইচডি পর্যায়ের সকল শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ (Post Graduate Studies – PGS) অনুষদ-এর অধীনে পরিচালিত হয়। এই সম্পূর্ণ কার্যক্রমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. এম. সালাহউদ্দিন এম. চৌধুরী জানালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল চারটি অনুষদের (কৃষি, এগ্রিবিজনেস, অ্যানিমেল সায়েন্স এবং ফিশারিজ) অধীনে থাকা বিভিন্ন বিভাগের স্নাতকোত্তর (MS) এবং পিএইচডি (Ph.D.) কোর্সের সিলেবাস, পরীক্ষা ও সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় করা।
দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষিকে আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বহুমুখী ও বিজ্ঞানভিত্তিক পাঠক্রম এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে চলেছে।





