মায়ের যত্নেই শিশুর সুন্দর আগামী

শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ ও সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার পেছনে মায়ের স্বাস্থ্যগত ও মানসিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলছে, একজন মা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকলে তার সন্তানের বৃদ্ধি, বিকাশ ও সার্বিক সুস্থতা অনেকাংশে নিশ্চিত হয়। তাই মা ও শিশুর সুরক্ষায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে ইউনিসেফ।

সংস্থাটির প্রথম পরামর্শ হলো, গর্ভবতী ও নবজাতকের মায়েদের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সুষম খাবার গ্রহণ করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুষম খাদ্যাভ্যাস মায়ের শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি পূরণ করে, যা সরাসরি শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

দ্বিতীয়ত, নিয়মিত হাঁটাচলা বা হালকা ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়েছে ইউনিসেফ। সংস্থাটির মতে, নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা মায়ের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, শারীরিক দুর্বলতা কমায় এবং সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তৃতীয় পরামর্শে ইউনিসেফ জোর দিয়েছে মানসিক সুস্থতার ওপর। সংস্থাটি বলছে, মায়েদের পছন্দের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং মন ভালো রাখার চেষ্টা করা প্রয়োজন। মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্নতা শুধু মায়ের নিজের স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, বরং গর্ভস্থ বা সদ্যোজাত শিশুর সুস্থতার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

ইউনিসেফ মনে করে, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরস্পর ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই মাতৃস্বাস্থ্যের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব প্রদান শুধু একজন নারীর সুস্থতা নিশ্চিত করে না, বরং একটি সুস্থ ও সবল আগামী প্রজন্ম গড়ে তোলার পথও প্রশস্ত করে।

ত/জু