সিরিয়ায় কৃষক ও পশুপালকদের পাশে দাঁড়িয়েছে ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল (ডিআরসি)। তাদের লক্ষ্য কৃষকদের জীবিকা শক্তিশালী করা।
এই উদ্যোগ শুরু হয়েছে কৃষকদের নানা সংকটের মুখে। উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। পানির তীব্র সংকট রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনও কৃষিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ডিআরসি চায়, পুরনো কৃষিজ্ঞানের সঙ্গে নতুন পদ্ধতি যুক্ত হোক। এতে উৎপাদন বাড়বে, টেকসই হবে কৃষিকাজ।
সিরিয়া কমিউনিটি কনসোর্টিয়ামের অধীনে এই কর্মসূচি চলছে। গ্রামীণ দামেস্কে খোলা হয়েছে “ফার্মার্স ফিল্ড স্কুল”। এখানে কৃষকদের আধুনিক চাষপদ্ধতি শেখানো হয়। রোগ প্রতিরোধ ও পশুখাদ্য বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বহু কৃষক পুরনো প্রথাগত পদ্ধতিতেই চাষ করেন। এই স্কুল তাদের নতুন কৌশল শেখার সুযোগ দেয়। বিশেষ করে নারী কৃষকরা এখানে নতুন পদ্ধতি পরীক্ষা করে শিখতে পারছেন।
শুধু কৃষক নয়, স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ সেবাও শক্তিশালী করছে ডিআরসি। ডেনমার্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এই কাজ হচ্ছে। দারা ও হোমস অঞ্চলে ১৬৭ জন কৃষি প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। রিজেনারেটিভ কৃষি ও বিপণন কৌশল শেখানো হয়েছে তাদের। এই প্রশিক্ষণ সিরিয়ার কৃষিখাত পুনর্গঠনে বড় ভূমিকা রাখবে। ফিরে আসা কৃষকদের জন্যও এটি সহায়ক হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ শবেইর বলেন, দীর্ঘ যুদ্ধ ও অস্থিরতায় যে জ্ঞানের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, এই প্রশিক্ষণ তা পূরণ করছে। তিনি মনে করেন, সিরিয়ার কৃষি পুনরুদ্ধারে এমন ধারাবাহিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।






