৮০-এর দশকে সাজপোশাকে নিজেকে কেমন লাগত, তা জেনে গিয়েছেন অনেকেই। চ্যাটজিপিটির কাছে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে ছবি আপলোড করলে, নিমেষেই সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী ছবি বানিয়ে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সমাজমাধ্যমে সেই ছবি প্রকাশ করছেন অনেকেই। তবে ৮০-তেই আটকে না থেকে চলুন ঘুরে আসি ৯০-এর দশক থেকে।
৮০-এর দশক থেকে ৯০ — এই এক দশকে সাজে, ফ্যাশনে বদল হয়েছে অনেকে। সেই সময় যদি ফেরা যেত, কেমন হত সাজ, সে প্রশ্ন মনে জাগলে চ্যাটজিপিটিকে দিতে পারেন নয়া নির্দেশ। কোন নির্দেশে কেমন ছবি বানিয়ে দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
ক্লাসিক স্টুডিও পোর্ট্রেট বানাতে চাইলে
৯০-এর দশকে স্টুডিয়োতে যে ভাবে পোর্ট্রেট তোলা হত, তেমন ছবি চাইলে কোন নির্দেশ বা প্রম্পট দেবেন চ্যাটজিপিটিকে? ইংরেজিতে নির্দেশিকায় লিখতে হবে — ‘ট্রান্সফর্ম মাই আপলোডেড ফোটো অথেন্টিক। ১৯৯০’স স্টুডিয়ো পোর্ট্রেট। কিপ মাই ফেশিয়াল ফিচার্স, আইডেন্টিটি, স্কিনটোন অ্যান্ড ন্যাচারাল এক্সপ্রেশন রেকগনিজ়বল। গিভ মি এ ক্লাসিক হেয়ারস্টাইল অ্যান্ড আউটফিট, উইথ এ সিম্পল স্টুডিয়ো ব্যাকড্রপ। অ্যাড এ শাটল অ্যানালগ গ্রেন।’ বাংলায় নির্দেশিকা দিতে চাইলে লিখুন— ‘‘আমার আপলোড করা ছবিটিকে ১৯৯০-এর দশকের একটি স্টুডিয়ো পোর্ট্রেটে বদলে দিন। মুখের গড়ন, পরিচিতি, গায়ের রং এবং স্বাভাবিক অভিব্যক্তি যেন অটুট ও চেনার যোগ্য থাকে। আমাকে ১৯৯০-এর দশকের ধাঁচের একটি ক্লাসিক হেয়ারস্টাইল ও পোশাক দিন এবং সাধারণ স্টুডিয়ো ব্যাকড্রপ ও স্টুডিয়ো লাইটিং (যা কিছুটা কড়া অথচ কোমল) ব্যবহার করুন, ছবিটিতে যেন সাধারণ ফিল্ম ক্যামেরায় তোলা ছবির আবহ থাকে। এতে হালকা অ্যানালগ গ্রেন, কিছুটা ফিকে রঙ এবং সামান্য খুঁত বা অসম্পূর্ণতা যোগ করুন। আধুনিক ডিজিটাল ফটোগ্রাফির মতো ঝকঝকে ভাব এড়িয়ে চলুন।’’
১৯৯০-এর ছুটির মেজাজের ছবি
ছুটির মেজাজের ছবি চাইলে ইংরেজিতি প্রম্পট দিতে হবে— ‘টার্ন মাই ফোটো ইনটু এ ক্যান্ডিড হলিডে ফোটোগ্রাফ ফ্রম দ্য ১৯৯০’স। প্রিজ়ার্ভ মাই ফেস অ্যান্ড আইডেন্টিটি। গিভ মি অথেন্টিক ১৯৯০’স ভ্যাকেশন ক্লোদিং অ্যান্ড প্লেস মি ইন আ সানি ট্রাভেল সেটিং। ইউজ় দ্য ক্যারেক্টারিস্টিক্স অফ এ কনজ়িউমার ফিল্ম ক্যামেরা, ইনক্লুডিং স্লাইটলি ওয়াশড আউট হাইলাইটস, ওয়ার্ম কালার্স, অ্যানালগ গ্রেন, ইমপারফেক্ট ফ্রেমিং অ্যান্ড ন্যাচারাল ক্যান্ডিড বডি ল্যাঙ্গুয়েজ়। মেক ইট লুক লাইক এ জেনুইন ফ্যামিলি ভ্যাকেশন ফোটোগ্রাফ।’
বাংলাতেও নির্দেশিকা দিতে পারেন। লিখতে হবে, ‘আমার ছবিটিকে ১৯৯০-এর দশকের কোনও ছুটির দিনের ছবিতে রূপান্তর করুন। এতে আমার চেহারায় যেন স্বাভাবিকত্ব বজায় থাকে। ১৯৯০-এর দশকের ধাঁচে ছুটির দিনের পোশাক পরিয়ে দিন। রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের কোনও বেড়ানোর পরিবেশ যেন থাকে সেখানে। ছবিটিতে সাধারণ ফিল্ম ক্যামেরার বৈশিষ্ট্যগুলো ফুটিয়ে তুলুন—যেমন কিছুটা হালকা বা ‘ওয়াশড-আউট’ হাইলাইট, উষ্ণ রঙের আভা থাকবে। থাকবে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত ভঙ্গি। সব মিলিয়ে ছবিটিকে যেন একটি সত্যিকারের পারিবারিক ছুটির দিনের ছবির মতো মনে হয়।
১৯৯০-এর বলিউডি ধাঁচের পোর্ট্রেট
বলিউডি তারকাদের মতো সাজসজ্জা হলে কেমন দেখাবে আপনাকে, জানতে প্রম্পট দিতে হবে ইংরেজিতে — ‘টার্ন মাই আপলোড ফোটো ইনটু এ গ্ল্যামারাস ১৯৯০’স ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্সপায়ার্ড পোর্ট্রেট। প্রিজ়ার্ভ মাই ফেশিয়াল আইডেন্টিটি অ্যান্ড ন্যাচারাল ফিচার্স। গিভ মি অথেনটিক ১৯৯০’স ইন্ডিয়ান ফ্যাশন, হেয়ারস্টাইল অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ়। ইউজ় ড্রামাটিক স্টুডিয়ো লাইটিং, রিচ বাট স্লাইটলি ফেডেড কালার্স, সফ্ট ফোকাস অ্যান্ড রিয়্যালিস্টিক অ্যানালগ ফিল্ম গ্রেন। দ্য ফোটোগ্রাফ শুড ফিল ইন্সপায়ার্ড বাই আ ১৯৯০’স বলিউড ম্যাগাজ়িন অর ফিল্ম পাবলিশিটি স্কুল। উইদাউট লুকিং লাইক এ মডার্ন ফোটোগ্রাফ উইথ এ ভিন্টেজ ফিল্টার।’
বাংলায় লিখতে হবে— ‘আপলোড করা ছবিটিকে ১৯৯০-এর দশকের ভারতীয় চলচ্চিত্র-অনুপ্রাণিত এক জমকালো পোর্ট্রেটে রূপান্তর করুন। মুখের গড়ন ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন নিজস্বতা না হারায়। আমাকে ১৯৯০-এর দশকের ভারতীয় ফ্যাশন, চুলের স্টাইল এবং অনুষঙ্গে সাজিয়ে তুলুন। ছবিটিতে স্টুডিয়ো লাইটিং, বাস্তবসম্মত অ্যানালগ ফিল্ম গ্রেন ব্যবহার করুন। ছবিটি যেন ১৯৯০-এর দশকের কোনও বলিউড ম্যাগাজিন বা সিনেমার প্রচারমূলক শুটের মতো মনে হয়—এটি যেন কোনও আধুনিক ছবিতে ভিন্টেজ ফিল্টার বসানো হয়েছে বলে মনে না হয়।’






